ডিগ্রি নহে, soft skill— ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের প্রকৃত পাসপোর্ট
ভারতবর্ষে ডিগ্রিধারীর সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। বিশ্ববিদ্যালয়, engineering college, management institute— সর্বত্রই ভর্তি বৃদ্ধি পাইতেছে। তথাপি মৌলিক প্রশ্ন একটিই: এই ডিগ্রি কি employability নিশ্চিত করিতেছে? India Skills Report 2025 স্পষ্ট ভাষায় জানাইতেছে— চিত্র আশানুরূপ নহে। দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক graduate শিল্পক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় মান পূরণ করিতে ব্যর্থ। মূল কারণ— soft skill-এর অভাব।
কিন্তু soft skill আসলে কী? ইহা কেবল একটি fashionable corporate শব্দ নহে। ইহা ব্যক্তিত্ব, মনোভাব ও সামাজিক সক্ষমতার সম্মিলিত রূপ। স্পষ্ট communication, সক্রিয় listening, team work, leadership, time management, problem-solving ability, adaptability— এই সকল গুণই soft skill-এর অন্তর্ভুক্ত। Technical knowledge একজনকে interview পর্যন্ত লইয়া যাইতে পারে, কিন্তু soft skill তাহাকে কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও স্থিতিশীল রাখে। ইহা বই পড়িয়া অর্জিত হয় না; বরং অনুশীলন, interaction ও বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়াই বিকশিত হয়।
বর্তমান সময়ে এক অদ্ভুত বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যায়— ছেলেটি শিক্ষিত, কিন্তু কর্মোপযোগী নহে। পরীক্ষায় উচ্চ নম্বর প্রাপ্তি সম্ভব,থোড় বড়ি খাড়া এবং খাড়া বরি থোড় syllabus সমাপ্ত করা সম্ভব, তথাপি boardroom বা interview panel-এর সম্মুখে আত্মবিশ্বাসের সহিত নিজেকে উপস্থাপন করিবার ক্ষমতা অনেকে অর্জন করিতে পারে না। চাপের মধ্যে decision গ্রহণ, সহকর্মীদের সহিত collaborative কাজ, কিংবা initiative গ্রহণ— এই সকল ক্ষেত্রে ঘাটতি প্রকট।
কিন্তু সমসাময়িক workplace আর কেবল তথ্যভাণ্ডার চাহে না; ইহা mindset অনুসন্ধান করে। Corporate ecosystem আজ এমন কর্মী প্রত্যাশা করে, যিনি দ্রুত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানাইতে সক্ষম, accountability গ্রহণে সাহসী, এবং interpersonal relation বজায় রাখিতে দক্ষ। কিন্তু আমাদের education system এখনও অধিকাংশ ক্ষেত্রে marks-centric। classroom-এ rote learning-এর প্রাধান্য অধিক, experiential learning বা practical exposure প্রান্তিক।
এই ব্যবধানের জন্য কেবল ছাত্রসমাজকে দায়ী করা চলে না। পরিবার নম্বর প্রত্যাশা করে, প্রতিষ্ঠান দক্ষতা প্রত্যাশা করে— ছাত্রছাত্রীরা মধ্যবর্তী স্থানে বিভ্রান্ত। তাহারা অবগত নহে যে, ডিগ্রির সহিত soft skill অর্জন সমান গুরুত্বপূর্ণ। ফলত, graduation সম্পন্ন করিবার পর অনেকেই উপলব্ধি করে— প্রস্তুতি অসম্পূর্ণ ছিল।
অতএব এখন সময় উপস্থিত curriculum পুনর্বিবেচনার। education-কে কেবল examination-oriented রাখিলে চলিবে না। প্রয়োজন interactive pedagogy, internship, live project, debate, theatre, public speaking, industry exposure— অর্থাৎ এমন পরিবেশ, যেখানে personality holistic ভাবে বিকশিত হইবে।
ভারত বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ young nation। demographic dividend যদি কার্যকর করিতে হয়, তবে degree distribution নহে— skill development হইবে প্রধান agenda। AI ও automation-এর যুগে technical competence যেমন অপরিহার্য, তদপেক্ষা অধিক প্রয়োজন human-centric competence।
সময় পরিবর্তিত। চাকরির বাজার evolution-এর মধ্য দিয়া অগ্রসর হইতেছে। ডিগ্রি প্রদান সহজ; কিন্তু কর্মদক্ষ, emotionally intelligent ও socially competent নাগরিক তথা চাকুরী প্রার্থী গঠন করা কঠিন। তথাপি এই জটিল সময়ে জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করিতেছে— আমরা কতজন graduate উৎপন্ন করিলাম, তাহার উপর নহে; বরং কতজন employable, adaptable ও responsible নাগরিক গড়িয়া তুলিতে পারিলাম, তাহার উপর।







